| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ
পারিবারিক কোলহের জের/ ইটভাটা মালিক কে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

পারিবারিক কোলহের জের/ ইটভাটা মালিক কে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

শামিমুল হক শামীম :
পারিবারিক কোলহের জের ধরে কাওছার হোসেন নামের এক ইটভাটা মালিককে এলোপাতাড়ী ভাবে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে একদল সন্ত্রাসী। পরে শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে মুমুর্ষ অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। কাওছার হোসেন মিরপুর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের কাজীপুর গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র। গত বুধবার এ ঘটনাটি ঘটেছে কাওছার হোসেন’র ইটভাটায়। স্থানীয়দের ধারনা, কাওছার হোসেন’র সম্পত্তির দখল নিতেই, তারই নিকটজনেরা বারবার তাকে হত্যার চেষ্টা করছে।
সূত্র জানিয়েছে, র্দীঘ দিন ধরেই পারিবারিক এবং জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল তারই আপন ভাই মৃত আশরাফুল ইসলামে ছেলে জিসান, আপন ভাই ইসরাইল ও আরমান’র। এর সাথেই যোগ দেয় কাওছার’র স্ত্রী’র দুলাভাই লালন, তার সহযোগী বিপুল ও স্বপন। স্থানীয়দের ধারনা, কাওছার হোসেন’র প্রচুর অর্থ এবং সম্পদ আত্মস্বার্তের লক্ষ্যেই আজ পারিবারিক কোলাহ চুড়ান্ত রুপ নিয়েছে। সম্প্রতি লক্ষিধরদিয়াড় মোড়ে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা চেষ্টা করে প্রতিপক্ষ দৃবৃর্ত্তরা। জুন মাসে ঈদের দিন সকালে পুকুরের ৮ লক্ষ টাকার মাছ মেরেও আর্থিক ভাবে পুঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করে তারা। পূর্ব সূত্রতার জের’র ধারাবাহিকতায় গত বুধবার সকালে কাওছার হোসেন’র কাজীপুরস্থ নিজস্ব ইটভাটায় শ্রমিকদের কাজে লাগিয়ে ইটভাটায় বসেছিলেন। এ সময় কাওছার হোসেন কে হত্যার উদ্দ্যেশে একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথার উপর আঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালায়। এসময় একটু সরে গেলে কোপটি পড়ে কাঁধের উপর। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় এলোপাতাড়ী ১৩/১৪টি কোপায় সন্ত্রাসীরা। এসময় মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে পালিয়ে আসার চেষ্টা করে সন্ত্রাসীরা। এসময় কাওছার হোসেন কে কোপাতে দেখে ইটভাটার শ্রমিকরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। এবং ধাওয়া করে সন্ত্রাসীদের। পেছন থেকে ধরে ফেলে আরমান নামের এক সন্ত্রাসীকে। তাকে বেধড়ক পেটায় শ্রমিকরা। পরে শ্রমিকরা কাওছার হোসেন কে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ বিষয়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়েই কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি।
মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে আসা কাওছার হোসেন জানিয়েছেন, আমার সম্পত্তি এবং অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই আমার আপন ভাইয়েরা এখন আমার প্রতিপক্ষ। আমার ২টা মেয়ে। কোন ছেলে সন্তান নেই। আমার ভাই এবং দৃর্বৃত্তদের লক্ষ্যে আমাকে হত্যা করতে পারলেই আমার সমুদয় সম্পত্তি এবং অর্থ তাদেও হয়ে যাবে। এজন্যই বারবার তারা আমাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেছে। হত্যার উদ্দ্যেশে গুলি করেছে। গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে মাছ মেরে আর্থিক ভাবে পুঙ্গু করেছে। তিনি বলেন, সামনে ইটভাটা মৌসুম। ইটভাটা চালু করার প্রস্তুতি নিতেই ভাটায় শ্রমিক লাগিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। এমন সময় আমার প্রতিপক্ষ এবং সন্ত্রাসী মৃত আশরাফুল ইসলামের ছেলে জিসান, আপন ভাই ইসরাইল ও আরমান ভাড়াটেয়া সন্ত্রাসী লালন, তার সহযোগী বিপুল ও স্বপন কে সাথে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাকে হত্যার উদ্দ্যেশে আমার ইটভাটাতেই হামলা চালায়। ধারালো এবং ভারী অস্ত্রেও ১৩/১৪টি এলোপাতাড়ী আঘাত আমার শরীরে। তারা আমাকে মৃত ভেবে ফেলে বীরদর্পে স্থান ত্যাগ করে। তিনি দ্রুত আইনে পরিকল্পিত এই হত্যা চেষ্টার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024